

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পানিসম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, গত ফ্যাসিস্ট সরকার সার নিয়েও তেলেসমাতি করেছিল। সারের সিন্ডিকেট করে মূল্য বাড়িয়েছিল।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬’ উপলক্ষে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদফতরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাছ দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস। মাছের উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এসময় আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার বিদ্যুৎ খাতকে একটি চুরির ভান্ডারে পরিণত করেছিল। বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রগুলোতে নিজেদের আত্মীয়স্বজন ও দলীয় লোকজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। আমরা সরকার গঠনের পর এসব সংকট মোকাবিলা করতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আমরা ধীরে ধীরে তা কাটিয়ে উঠছি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি সরাসরি দেখভাল করছেন এবং জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন। আশা করা হচ্ছে, অল্প সময়ের মধ্যেই বর্তমান সংকট কাটিয়ে মানুষের কাছে স্বাভাবিকভাবে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বাড়ির ছাদ, অনাবাদি জমি, নদীর তীরসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে ব্যক্তিগত, সমষ্টিগত ও বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবেন। গত ফ্যাসিস্ট সরকার সার নিয়েও তেলেসমাতি করেছিল। সারের সিন্ডিকেট করে মূল্য বাড়িয়েছিল। এবার আর সেই সংকট নেই। সার নিয়ে কোনো সিন্ডিকেট হলে আমাদের জানাবেন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী পঞ্চগড় সদর উপজেলা চত্বরে অবস্থিত একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদফতরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ডা. কে. এম. এন. আব্দুল হালিমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মৎস্যচাষে বিশেষ অবদান রাখায় পাঁচজন মৎস্যচাষিকে পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়া হয়।

