শনিবার
১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেয়ার কারণ জানাল বিরোধী জোট

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ পিএম
ফাইল ছবি
expand
ফাইল ছবি

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছে দেশ। আবারও রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে মুখোমুখি সরকার ও বিরোধী পক্ষ। পঞ্চম জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি পদে সেবার বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস। আর বিরোধী দলের প্রার্থী ছিলেন বদরুল হায়দার চৌধুরী।

২৩তম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ক্ষমতাসীন বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিরোধী দল মনোনয়ন দিয়েছে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমদকে।

সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও কেন রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দিয়েছে বিরোধীরা- এমন প্রশ্নে জোট নেতাদের দাবি, জয়-পরাজয়ের হিসাব নয়, বরং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করাই তাদের লক্ষ্য।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থ কি? যদি দল একজনকে নির্বাচন দিয়ে একজনকেই মনোনয়ন দিয়ে দিলো, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি বিজয়ী হলেন। এটা তো দলের, এটা তো জাতির স্বার্থ না। জাতীয় স্বার্থ হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যদি একজন রাষ্ট্রপতি হন, তিনি জাতির ভূমিকা পালন করবেন।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিরোধী দলের একটা স্বাতন্ত্র্যবোধ থাকতে হয়, স্বকীয়তা থাকতে হয়। এক কথায় গণতান্ত্রিক চর্চাটাকে আমরা জনগণের সামনে নতুনভাবে নিয়ে এসেছি পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কি করতে চাই- এই মেসেজটা আমরা দিতে চাই।

বিরোধী জোট বলছে, ভিন্ন একটি বার্তাও দিতে চাইছেন তারা। দলীয় পরিচয়ের বাইরে মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ এক রাজনীতিককে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে সামনে আনার চেষ্টা করেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবাইকে নিয়ে যে দেশ গড়তে চায় এটা তার একটা উৎকৃষ্ট প্রমাণ। দেশ এবং জনগণের স্বার্থে, দেশ গড়ার প্রয়োজনে আমরা সুনির্দিষ্ট দল, সুনির্দিষ্ট আদর্শ, দলীয় গণ্ডি এবং নিজস্ব চিন্তাধারার দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে দেশকে প্রাধান্য দিই।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার এ বিষয়ে আরও বলেন, তিনি একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। এটা হচ্ছে জাতীয় বিষয়। আর সর্বদলীয় ১১ দলের মধ্যে যেহেতু এখানে ১১টি দলের বিষয়, সবার কাছে যিনি গ্রহণযোগ্য এবং সবার মধ্যে যিনি সিনিয়র, তাকেই নির্বাচন করা হয়েছে। ফলে আমি মনে করি কর্নেল অলি খুব ভালো একজন চয়েস বিরোধী দলের জন্য।

জুলাই সনদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবিও জানান বিরোধী জোটের নেতারা।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank