

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুর রূপ ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এবার ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীদের রক্তক্ষরণের বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, এবারের ডেঙ্গুর রূপ ভয়াবহ হবে বলে আশঙ্কা করছেন ডাক্তাররা। যার নাম হেমোরোজিক। ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে হতে পারে রক্তক্ষরণও। সুতরাং আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারাদেশে আগামী দুই-তিনের মধ্যে মোবাইল টিম কাজ করবে। আমরা একটা জনসচেতনতামূলক কাজে যাচ্ছি। দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আমরা ডেঙ্গুর হাত থেকে বাঁচাতে চাই এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চাই না; সবাই সচেতন হবে এটা চাই।
সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, প্রত্যেক দিন নিজ নিজ বাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে। বাসায় জমাটবদ্ধ পানি না থাকে এবং ফুলের টবে পানি না থাকে; সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, প্রাইভেট এবং সরকারি প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পরিষ্কার রাখতে হবে। ব্যবহৃত বাথরুম, ড্রেন এবং বাগানসহ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানে লার্ভা পাওয়া গেলে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ব্যক্তিগতভাবে বড় আকারে জরিমানা করা হবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাওয়া গেলেও জরিমানা করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম জনগণের সচেতনতার ওপর জোর দেন। সিটি করপোরেশনের সাম্প্রতিক জরিপের তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, দক্ষিণ সিটির মোট ৬৩টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি ওয়ার্ডকে 'অধিক ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ডিএসসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কেবল একক কোনো সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এই দুই পক্ষ সমানভাবে সচেতন ও সক্রিয় হলেই কেবল ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব।
