

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাতীয় সংসদ ভবনের প্লেনারি হলের সাউন্ড সিস্টেমের পরিচালনা, মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি পূর্ববর্তী কমিশনের অনুমোদনের ভিত্তিতে এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়। অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন দুদকের সহকারী পরিচালক প্রবীর কুমার দাস।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আস্রাফুল হকের তত্ত্বাবধানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেড সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করে। তবে পরবর্তীতে সংসদ অধিবেশন চলাকালে একাধিকবার সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেয়।
অভিযোগ রয়েছে, জাহিদুর রহিম জোয়ারদার, তার প্রতিষ্ঠান এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের কিছু প্রকৌশলীর যোগসাজশে সাউন্ড সিস্টেম পরিচালনা ও মেরামতের নামে বিপুল সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। পাশাপাশি আমদানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়ে (ওভার ইনভয়েসিং) বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সংসদ ভবনে বিক্ষোভের সময় প্লেনারি হলের সাউন্ড সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে এটি সচল করতে গণপূর্ত অধিদপ্তর উদ্যোগ নেয় এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেড ক্ষতিগ্রস্ত সিস্টেম মেরামতের মাধ্যমে পুনরায় চালুর প্রস্তাব দেয়।
এ কাজে প্রকৌশলীদের যাতায়াত, থাকা-খাওয়া ও সম্মানী বাবদ ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রস্তাবও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি সাউন্ড সিস্টেম মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রায় ৯ কোটি টাকার প্রাক্কলন তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি সংসদ অধিবেশনে সাউন্ড সিস্টেমের ত্রুটির একাধিক ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে সংসদেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন
