

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পেট্রল ও অকটেন সরবরাহে আগামী দুই মাসে কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫২৪ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে, যা দিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, দেশে মোট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫২৪ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল ১ লাখ ৪৩ হাজার ১৪৩ মেট্রিক টন, অকটেন ৯ হাজার ৫৬৯ মেট্রিক টন এবং পেট্রল ১৬ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বিদ্যমান মজুত দিয়ে স্বাভাবিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। বিশেষ করে পেট্রল ও অকটেনের ক্ষেত্রে আগামী দুই মাসেও কোনো ঘাটতি হবে না। আমদানি ও জাহাজ খালাস কার্যক্রম চলমান থাকায় সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা নেই।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি প্রকৃত সংকটের প্রতিফলন নয়। বরং আতঙ্ক থেকে অনেকেই অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহ করছেন, যার ফলে কিছু জায়গায় সাময়িক চাপ তৈরি হচ্ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। বিশ্বের বহু দেশে এর প্রভাব পড়লেও বাংলাদেশে সরকার ভর্তুকির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখছে। প্রতি মাসে বড় অঙ্কের অর্থ ভর্তুকি হিসেবে ব্যয় করা হচ্ছে বলে জানানো হয়।
অবৈধ মজুত ঠেকাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এসব অভিযানে জ্বালানি জব্দের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তবে সরকার বিকল্প উৎস নিশ্চিত করে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।
সরকারি তথ্যমতে, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আরও জ্বালানি দেশে পৌঁছাবে। ফলে তাৎক্ষণিক কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন
