

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাময়িক ছাড় বা ‘ওয়েভার’ চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তার কারণে বিকল্প জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ আলোচনা করছে। এই প্রেক্ষাপটে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে যদি যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে অস্থায়ী অনুমতি দেয়, তাহলে তা দেশের অর্থনীতির জন্য সহায়ক হতে পারে।
তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। মার্কিন পক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি ওয়াশিংটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবে। এখন এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সমুদ্রে আটকে থাকা রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই ধরনের সুযোগ পাওয়ার আশায় বাংলাদেশও অনুরোধ জানিয়েছে।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিস্থিতি, বিশেষ করে তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি বা ক্যাপাসিটি বিল্ডিং নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত তার এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে জানান, পুরোনো বন্ধু অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে তিনি আনন্দিত।
তিনি বলেন, বৈঠকে দুই দেশের অভিন্ন অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার নিয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পারস্পরিক সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে সহায়তা করতে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অফিস অব টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করে আসছে।
মন্তব্য করুন
