

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফেব্রুয়ারি আসলেই বাঙালির সমাজে জাগ্রত হয় ভাষা নিয়ে গাঁথা সেই অমর কাহিনীর কথা। মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে নিজের জীবন বিলিয়ে দিতেও পিছপা হয়নি যে জাতি। ২১শে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন এখন বিশ্বব্যাপী চিত্র। এর সঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব আবহে বসা 'অমর একুশে বইমেলা'। এ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে বইমেলা-২৬। নির্বাচনের কারণে দেরিতে শুরু হলেও বইমেলা চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। বাঙালির প্রাণের এই উৎসব ঘিরে পুরোদমে চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেখা যায় মেলার অবকাঠামো চিত্র ফুটে উঠেছে। অধিকাংশ বইয়ের স্টল দাঁড়িয়েছে আর বাকি থাকা স্টল দ্রুত দাঁড় করাতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন মিস্ত্রিরা।
বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চ ও আশপাশের স্টলের কাজ পঞ্চাশ ভাগের মতন সম্পন্ন হয়েছে, রং করা ও বুকশেলফ তৈরি করতে দেখা গেছে। বাংলা একাডেমির পুকুরের পাশের স্টলগুলোর কাজও চলছে পুরোদমে।
এদিকে, মেলার বড় অংশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও দেখা যায় কর্মব্যস্ততা। কেউ বাঁশ-বেড়া দিচ্ছেন, কেউ বাঁধছেন, কেউ পেরেক লাগাচ্ছেন আবর কেউবা রং করছেন। অর্থাৎ দম নেয়ার ফুরসত নেই এখানের শ্রমিকদের।
আবুল কালাম নামের এক মিস্ত্রি বলেন, ২৩ তারিখের মধ্যে আমাদের দোকান বুঝিয়ে দিতে হবে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা কাজ করে যাচ্ছি, মালিককে বলেছি সময়মত স্টল রেডি হয়ে যাবেন।
রফিক নামের আরেক মিস্ত্রি বলেন, সময় বাড়ায় উপকার হয়েছে, নইলে সময় মত দোকান তৈরি করতে পারতাম না। ২৫ তারিখ তো বইমেলা শুরু এর একদিন আগেই সব রেডি করতে পারবো।
আয়োজক আর প্রকাশকদের দ্বিমুখী অবস্থানে মেলা আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও স্টল ফি মওকুফের ঘোষণায় স্বস্তিতে প্রকাশক এবং স্টল মালিকরা।
তবে রোজা আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবারের আয়োজন কতটা জমে উঠবে তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তবে আয়োজকদের প্রত্যাশা, এবারের বইমেলাও জমে উঠবে লেখক পাঠকের সমারোহে।
মন্তব্য করুন
