

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
দুদকের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধানে নামলো সংস্থাটি।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।
দুদক সূত্রে জানায়, দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত স্বাস্থ্য খাতের ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী ছিলেন ইকবাল মাহমুদের ভাই সাদিক মাহমুদ বকুল।
অভিযোগ রয়েছে, মিঠু-বকুল পরস্পর যোগসাজশে স্বাস্থ্য খাতে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করলেও ইকবাল মাহমুদের প্রভাবের কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।
এছাড়া ঠিকাদার মিঠুর কাছ থেকে রাজধানীর গুলশানের অভিজাত এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগও রয়েছে ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে।
তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে দুদক। পাশাপাশি তার ভাই সাদিক মাহমুদ বকুলের সম্পদের উৎসও অনুসন্ধানের আওতায় নেওয়া হয়েছে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর গ্রেফতারের পর রিমান্ডে মিঠুর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই ইকবাল মাহমুদের নাম উঠে আসে বলে জানায় দুদক।
উল্লেখ্য যে, ড. ইকবাল মাহমুদ ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মন্তব্য করুন