

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মধু প্রাকৃতিক চিনির একটি উৎস। এতে কার্বোহাইড্রেট থাকে এবং দ্রুত কিছুটা শক্তি জোগাতে পারে। তবে মধু খেলেই সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ বা ওজন কমে এমন দাবি করার সুযোগ নেই। পরিমাণ বুঝে খাদ্যতালিকায় মধু রাখা যেতে পারে।
সকালে মধু খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। কেউ চাইলে কুসুম গরম পানিতে অল্প মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
কুসুম গরম পানির সঙ্গে: অল্প মধু কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করা যায়। চাইলে সামান্য লেবুর রস যোগ করা যেতে পারে।
দুধের সঙ্গে: কুসুম গরম দুধে অল্প মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়। রাতে এটি অনেকের কাছে আরামদায়ক পানীয় হতে পারে। তবে দুধ বা মধুতে অ্যালার্জি থাকলে এড়িয়ে চলুন।
চায়ের সঙ্গে: চিনি কমানোর উদ্দেশ্যে চায়ে অল্প মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে মধুও মূলত চিনি, তাই বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক নয়।
কালোজিরার সঙ্গে: মধুর সঙ্গে কালোজিরা খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। তবে এই মিশ্রণকে কোনো রোগের চিকিৎসা বা প্রতিরোধের নিশ্চিত উপায় হিসেবে ধরা উচিত নয়।
মধু কোনো রোগের ওষুধের বিকল্প নয়।
মধু খাওয়ার নির্দিষ্ট ‘সেরা সময়’ সবার জন্য এক নয়। সকালে খাওয়া যেতে পারে, তবে খালি পেটে খেলেই বিশেষ উপকার হবে এমন প্রমাণ নেই। পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


