

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দিনের শুরুটা কেমন হচ্ছে, তার প্রভাব পড়ে পুরো দিনের কাজ, মনোযোগ ও মানসিক অবস্থার ওপর। তাই ঘুম থেকে ওঠার পরের কয়েকটি অভ্যাস শরীর ও মনকে ইতিবাচকভাবে প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, সকালটা পরিকল্পিতভাবে শুরু করলে ক্লান্তি কমে, মনোযোগ বাড়ে এবং সারাদিন কর্মক্ষম থাকা সহজ হয়। এ জন্য ঘুম থেকে ওঠার পরের প্রথম দুই ঘণ্টায় কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস অনুসরণ করা যেতে পারে।
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠা
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। সকাল ৬টা বা ৭টা—যে সময়ই বেছে নিন না কেন, নিয়মিত সেই সময় অনুসরণ করলে শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা ‘বডি ক্লক’ সঠিকভাবে কাজ করে এবং ঘুমের মানও উন্নত হয়।
দিনের শুরুতে পানি পান
ঘুম থেকে ওঠার পর এক গ্লাস পানি পান করা শরীরকে সতেজ করতে সাহায্য করে। দীর্ঘ সময় পানি না খাওয়ার পর এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে এবং হজমপ্রক্রিয়া সক্রিয় করে।
সকালের রোদে কিছু সময়
সকালের হালকা রোদে কয়েক মিনিট সময় কাটানো শরীরের স্বাভাবিক হরমোন কার্যক্রমে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি মন ভালো রাখতে এবং ঘুমের ছন্দ ঠিক রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।
কফি পান করার সঠিক সময়
সকালে কফি পান অনেকেরই অভ্যাস। তবে খালি পেটে অতিরিক্ত কফি না খাওয়াই ভালো। হালকা পানি বা অন্য কিছু গ্রহণের পর কফি পান করলে তা তুলনামূলক আরামদায়ক হতে পারে।
হালকা শরীরচর্চা
হাঁটা, জগিং, স্ট্রেচিং বা অন্য কোনো ব্যায়াম সকালে শরীরকে সক্রিয় করে। নিয়মিত শরীরচর্চা শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তিও বাড়ায়।
ধ্যান ও শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন
ব্যায়ামের পর কয়েক মিনিট ধ্যান বা নিয়ন্ত্রিত শ্বাস-প্রশ্বাসের চর্চা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এতে মনোযোগ বাড়ে এবং দিনের কাজের জন্য মানসিক প্রস্তুতি তৈরি হয়।
পুষ্টিকর নাশতা
দিনের প্রথম খাবারটি হওয়া উচিত সুষম ও পুষ্টিকর। ডিম, ওটস, ফল, দুধ বা ডালজাতীয় খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায় এবং দীর্ঘ সময় কর্মক্ষম থাকতে সহায়তা করে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই অভ্যাসগুলো?
বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত পানি পান, সকালের আলো, নিয়মিত ব্যায়াম এবং পুষ্টিকর খাবার—এই চারটি অভ্যাস দিনের শুরুটাকে আরও স্বাস্থ্যকর ও কার্যকর করে তুলতে পারে। তবে সবার শারীরিক চাহিদা এক নয়, তাই ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও জীবনযাত্রা অনুযায়ী রুটিনে পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
