

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দিনের শুরুতে কী খাচ্ছেন; তার প্রভাব পড়ে সারা দিনের শক্তি ও কর্মক্ষমতার ওপর। সে কারণেই সকালের নাশতাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার বলা হয়।
এই নাশতার তালিকায় ডিম বহুদিন ধরেই নির্ভরযোগ্য একটি নাম। সহজলভ্য, রান্না করা সহজ এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় বিশ্বজুড়েই সকালের খাবার হিসেবে ডিমের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। তবে প্রশ্ন একটাই ডিম সেদ্ধ খাবেন, নাকি ভাজা?
পুষ্টিবিদদের মতে, ডিম এমন একটি খাবার যেখানে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের পুষ্টি উপাদানই রয়েছে। একটি মাঝারি আকারের ডিমে থাকে ভালো মানের প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি, বি–১২ ও রিবোফ্লাবিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক অ্যান্টি–অক্সিডেন্টও রয়েছে এতে।
সেদ্ধ ডিম: সেদ্ধ ডিম রান্না করতে বাড়তি তেল বা চর্বির প্রয়োজন হয় না। ফলে এতে ক্যালরি তুলনামূলক কম থাকে এবং ডিমের স্বাভাবিক পুষ্টিগুণ প্রায় অক্ষুণ্ন থাকে।
সেদ্ধ ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও স্মৃতিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত সেদ্ধ ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
ভাজা ডিম: ভাজা ডিম সাধারণত বেশি মুখরোচক হওয়ায় অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে। পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ বা টমেটোর মতো উপকরণ যোগ করলে পুষ্টিমানও কিছুটা বাড়ে।
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রোটিন ও ভিটামিনের দিক থেকে ভাজা ও সেদ্ধ ডিমের মধ্যে বড় কোনো পার্থক্য নেই। তবে পার্থক্য তৈরি হয় রান্নার সময় ব্যবহৃত তেলের পরিমাণ ও ধরন অনুযায়ী।
সাধারণত অতিরিক্ত তেল, বিশেষ করে ট্রান্সফ্যাটসমৃদ্ধ তেলে ডিম ভাজলে ক্যালরি বেড়ে যায় এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ভাজা ডিম খেতে হলে কম তেল ব্যবহার করা এবং অলিভ অয়েল বা সরিষার তেলের মতো স্বাস্থ্যকর তেল বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য প্রতিদিনের নাশতায় সেদ্ধ ডিমের বিকল্প নেই। আর স্বাদের বৈচিত্র্য আনতে মাঝে মাঝে হালকা তেলে ভাজা ডিম খাওয়া যেতে পারে।
মন্তব্য করুন

