

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতির চার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে জারি করা রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রোববার রায়ের জন্য দিন রেখেছেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসরুল হক, চৌধুরী সারা হোসেন ও সাঈদ আহমেদ রাজা এবং আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এ মামলা ছাড়াও আরও চারটি মামলা হয়। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীনের মামলা।
২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় আরেকটি মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভুঁইয়া। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন জনৈক নুরুল ইসলাম মোল্লা। এর আগে ৪ আগস্ট প্লট জালিয়াতিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকও একটি মামলা করেছে।
এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুরের পর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
পরে হাইকোর্ট ৫ মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন। আজ দুদকেরটি ছাড়া বাকি চার মামলায় শুনানি শেষ হয়। ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান।
এরপর তিনবার তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হন।
মন্তব্য করুন
