

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লবণ ছাড়া রান্নার কথা চিন্তা করাই যায় না। ডাল, তরকারি, আলুভাজা কিংবা বিরিয়ানি- যেকোনো খাবারের স্বাদ ঠিকঠাক ফুটিয়ে তুলতে লবণের বিকল্প নেই।
কিন্তু স্বাদের জন্য প্রতিদিন আমরা অজান্তেই নিজেদের শরীরে কতটা ক্ষতি ডেকে আনছি, তা কি ভেবে দেখেছি?
চিপস, চানাচুর, আচার আর ফাস্টফুডের মাধ্যমে নিয়মিত যে পরিমাণ সোডিয়াম আমাদের শরীরে ঢুকছে, তা স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট বিষাক্ত।
গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার এই অভ্যাসটি মূলত একটি 'সাইলেন্ট কিলার' বা নীরব ঘাতক হিসেবে কাজ করে।
আমাদের শরীরের স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য নির্দিষ্ট মাত্রায় সোডিয়াম বা লবণ প্রয়োজন। তবে মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা ‘মেডলাইনপ্লাস’ (MedlinePlus)-এর একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, রক্তে অতিরিক্ত সোডিয়াম মিশলে তা ধমনীর ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করে।
এর ফলে হু হু করে বাড়ে উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার। আর রক্তচাপ বাড়া মানেই হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিডনি বিকল হওয়ার মতো প্রাণঘাতী ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাওয়া।
সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হলো, রান্নার লবণের বাইরেও প্রসেসড বা প্যাকেটজাত খাবার থেকে প্রতিদিন কতখানি সোডিয়াম আমাদের পেটে যাচ্ছে, তা আমরা খেয়ালই করি না।
তাহলে প্রশ্ন হলো, সারাদিনে ঠিক কতটা লবণ খাওয়া নিরাপদ?
চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, একজন সুস্থ মানুষের সারাদিনে সর্বোচ্চ এক চা চামচ (প্রায় ২,৩০০ মিলিগ্রাম সোডিয়ামের সমপরিমাণ) লবণ খাওয়া উচিত।
তবে যাদের ইতিমধ্যেই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ কিংবা কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই মাত্রা আরও অনেক কম হওয়া প্রয়োজন।
এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে লবণের পরিমাণ নির্ধারণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
তবে জিভের স্বাদ বজায় রেখেও কিন্তু লবণ খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব। এর জন্য দৈনন্দিন জীবনযাপনে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনা দরকার:


