

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২৪ আগস্ট- বাংলাদেশের নারী অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর ও অগ্নিঝরা দিন। ১৯৯৫ সালের এই গভীর রাতে দিনাজপুরের রাস্তায় কয়েকজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের হাতে নির্মম ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় কিশোরী ইয়াসমিন।
নিরাপত্তা দেওয়ার কথা যাদের, তাদের হাতেই এক নাবালিকার এমন ভয়াবহ পরিণতি তৎকালীন পুরো দেশকে স্তব্ধ ও ক্ষুব্ধ করে তোলে।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে দিনাজপুরের আপামর সাধারণ মানুষ সেদিন তীব্র ক্ষোভে রাস্তায় নেমে আসে। জনতার সেই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ ও আন্দোলনের মুখে এই দিনটি পরবর্তীতে স্বীকৃতি পায় 'নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস' হিসেবে।
তবে ঘটনার তিন দশক অতিক্রম করলেও অধিকারকর্মীদের আক্ষেপ- সমাজ ও রাষ্ট্রে নারীদের নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা আজ অবধি পুরোপুরি ঘোচেনি, রূপ বদলে নির্যাতন এখনো অব্যাহত।
আইনি লড়াইয়ের ইতিহাসে মামলাটি এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। বিচারিক প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত এই জঘন্য অপরাধের চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন।
দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযুক্ত তিন প্রধান আসামি- এএসআই মঈনুল, কনস্টেবল আব্দুস সাত্তার এবং পিকআপ চালক অমৃত লাল বর্মনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে কার্যকর হয় এই ঐতিহাসিক ফাঁসির রায়।


