

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সুশাসন জোরদারে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)।
বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং আইসিআইএমওডির মহাপরিচালক পেমা গিয়ামতশোর (Pema Gyamtsho) মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে আইসিআইএমওডির মহাপরিচালক বাংলাদেশের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। তিনি হিমবাহ-উৎসারিত নদী ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আন্তঃসীমান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি যৌথ পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য সমন্বিত আন্তঃসীমান্ত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
এ সময় আইসিআইএমওডির মধ্যমেয়াদি মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করা হয়।
প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশে আইসিআইএমওডির ‘ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে মনোনীত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উত্থাপন করবেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য আইসিআইএমওডির বোর্ড সভায় অংশগ্রহণ এবং সংস্থাটির মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন উদ্যোগে বাংলাদেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর উৎপত্তি প্রতিবেশী দেশগুলোতে হওয়ায় আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন এবং পর্বত থেকে বদ্বীপ (মাউন্টেন-টু-ডেল্টা) বাস্তুতন্ত্রের টেকসই ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।
বৈঠকের শেষে বাংলাদেশ ও আইসিআইএমওডির দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে উভয় পক্ষ দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

