

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রূপালি পর্দার ঝলমলে আলো কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের নানা চড়াই-উতরাই- সবকিছু নিয়েই ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি থাকেন আলোচনার শীর্ষে।
তবে এবার কোনো বিতর্কের জেরে নয়, বরং পরম মমতা আর নিখাদ ভালোবাসার এক মানবিক গল্প নিয়ে অনুরাগীদের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
গত ২৯ জুলাই রাতে গুলশানের এক অভিজাত ফ্যাশন শোতে বসেছিল তারার মেলা। কিন্তু সব গ্ল্যামার আর আলোর ছটাকে ছাপিয়ে যায় মঞ্চের এক অনাকাঙ্ক্ষিত অথচ মিষ্টি ঘটনা।
সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। বক্তব্যের মাঝেই সবাইকে তাক লাগিয়ে চয়নিকা চৌধুরীকে প্রকাশ্যে ‘মা’ বলে সম্বোধন করেন পরীমনি।
‘উনি আমার কাছে শুধু মা। প্রথমত উনিই আমার মা, তারপর আপনাদের চয়নিকা চৌধুরী। উনি আমার জীবনের অনেক বড় সম্পদ, শক্তি, বিশ্বাস আর ভরসার জায়গা। সবার সামনে বলতে চাই- 'আই লাভ ইউ মা'।’
পরীমনি যখন পরম শ্রদ্ধায় আর ভালোবাসায় এমন আত্মিক বন্ধনের কথা প্রকাশ করছিলেন, তখন মঞ্চজুড়ে তৈরি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। থেমে থাকেননি চয়নিকা চৌধুরীও। পরীমনির এই অকপট ভালোবাসার জবাবে সহাস্যে বলেন:
‘আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর একটা মেয়ে ও। শুধু বাইরে থেকে দেখতে সুন্দর নয়, পরীমনির মনটাও অনেক সুন্দর। আমি ওকে খুব ভালোবাসি।’
তাদের এই সুন্দর মুহূর্তটি উপস্থিত দর্শকদের হাততালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে।
চয়নিকা চৌধুরী ও পরীমনির সম্পর্ক আজকের নয়। যৌথ কাজের মধ্য দিয়েই মূলত তাদের প্রথম পরিচয়। চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালিত ‘বিশ্বসুন্দরী’ সিনেমায় কাজ করতে গিয়েই তাদের মাঝে এক আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
সময়ের সাথে সাথে যা কেবল পেশাদারি সম্পর্কে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং রুপ নিয়েছে মা-মেয়ের পরম স্নেহের বন্ধনে। বিশেষ করে পরীমনির জীবনের অনেক কঠিন সময়ে এই নির্মাতাকে ছায়ার মতো পাশে দাঁড়িয়ে ভরসা দিতে দেখা গেছে। তাই জনসমক্ষে প্রিয় মানুষকে ‘মা’ ডেকে নিজের ভালোবাসা প্রকাশে বিন্দুমাত্র দ্বিধা বোধ করেননি পরীমনি।