

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারতে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অবস্থান বদলের অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানানোর মাত্র একদিন পরই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন তিনি।
গত ২২ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইন্সটাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে সালমান খান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান। তবে পরদিন বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে দেওয়া আরেক পোস্টে তিনি আন্দোলনকারীদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককেও অনশন ভাঙার আহ্বান জানান।
এ ঘটনার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সালমানের অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক নেটিজেন। বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমও বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
তবে নিজের অবস্থানের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, “শিক্ষাগত দিক থেকে এবং নিরাপত্তার দিক থেকেও আমাদের দেশে শিক্ষার্থীরাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই শিক্ষার্থী বা তাদের অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে টুইট করেছেন। আমি নিশ্চিত, প্রশ্নপত্র ফাঁসের জন্য যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই শিক্ষার্থীদের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান এবং মা-বাবার সঙ্গে থাকুন।”
সালমানের এই বক্তব্যের পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসেই কি তিনি আস্থা রেখেছেন?
প্রধানমন্ত্রী মোদি তার বার্তায় বলেন, “শিক্ষার্থীদের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমাদের কাছে আর কিছু নেই। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আপস করবে না সরকার। দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”
এর আগে ২২ জুলাই দেওয়া পোস্টে সালমান খান আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লিখেছিলেন, “আন্দোলন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা যে সহিংস রূপ নিয়েছে, তা দুঃখজনক। এতে আহত শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের প্রতি আমার গভীর সহানুভূতি। প্রশ্নপত্র ফাঁস শিক্ষাব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুতর একটি সমস্যা। তবে উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া এবং তাদের পাশে অভিভাবকদের দাঁড়ানো সত্যিই প্রশংসনীয়। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার পাশাপাশি একটি উন্নত ও শিক্ষিত ভারত গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের এই নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা প্রশংসার দাবিদার।”