

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এসিসিই) বিভাগের ১৩তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত অবস্থায় চার দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় স্নাতকোত্তর (এমএসসি) পর্যায়ে অধ্যয়ন করছেন।
সহপাঠী ও বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, চার দিন আগে এক সহপাঠীর সঙ্গে ক্যাম্পাসের বাইরে যাওয়ার পর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর থেকে বৃষ্টি ও তার সঙ্গে থাকা ওই সহপাঠী—উভয়ের মোবাইল ফোনই বন্ধ রয়েছে, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে।
এ বিষয়ে এসিসিই বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা জানান, নিখোঁজ হওয়ার পরপরই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ও স্টেট পুলিশ যৌথভাবে বিষয়টি তদন্ত করছে। ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তার সর্বশেষ অবস্থান ক্যাম্পাসের ভেতরে শনাক্ত করা হলেও এরপর আর কোনো অবস্থান জানা যায়নি।
এদিকে বিষয়টি মায়ামিতে অবস্থিত বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেলকে জানানো হয়েছে। কনস্যুলেট সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-কে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিকটবর্তী হাসপাতাল, বিমানবন্দর ও ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে খোঁজ নিয়েও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পায়নি।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, গত বৃহস্পতিবার সর্বশেষ বৃষ্টির সঙ্গে তাদের কথা হয়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। সহপাঠীদের কাছ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরিবার পুলিশকে অবহিত করে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফোন ট্র্যাকিংয়ে সর্বশেষ ক্যাম্পাসের অবস্থান পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে ফোনটি বন্ধ হয়ে যায়।
পরিবার জানায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে এবং সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে।
এদিকে সহপাঠী, বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যরা বৃষ্টির নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন। কেউ তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন