

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ও নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় আয়োজিত এ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। শোভাযাত্রায় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরীসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকবৃন্দ।
শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা শেষে নোবিপ্রবি শহিদ মিনারের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। আজকের এ দিনটি আমাদের সবার জন্য সর্বজনীন একটি উৎসব। সুদীর্ঘকাল থেকে আবহমান বাংলায় উৎসবমুখর পরিবেশে এটি পালিত হয়ে আসছে।
বাংলা নববর্ষ বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অনন্য প্রতীক। পহেলা বৈশাখ আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখায়। পুরোনো গ্লানি, সংকীর্ণতা ও ভেদাভেদ ভুলে একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গঠনের প্রেরণা যোগায়।
এ সময় তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়, সংস্কৃতি বিকাশেরও অন্যতম ক্ষেত্র। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা তৈরি করে যা ভবিষ্যতে একটি সচেতন সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নোবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম একটি অংশ। আজ আমরা সবাই এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানসমূহে অংশ নেব এবং সকল হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সামনে এগিয়ে যাবো।
পরে নববর্ষ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব, সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে স্থাপিত স্টলসমূহের উদ্বোধন করেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।
এ সময় তিনি স্টলসমূহ ঘুরে দেখেন। এছাড়াও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের আয়োজনে বৈশাখী উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন