

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আল্টিমেটাম দিয়েও নির্ধারিত সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) টানানো জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতির ব্যানার না সরানোই নিজেই খুলে ফেলেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।
দুপুরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে যুক্ত করেছেন ব্যানার খুলে ফেলার একটি ভিডিও।
এর আগে সকাল ১১টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে বেলা ২টার মধ্যে ব্যানারটি অপসারণের আহ্বান জানিয়েছিলেন আম্মার।
ব্যানার খুলে ফেলে দেওয়া পোস্টে রাকসু জিএস লিখেছেন, ‘দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে। ২টার মধ্যে ব্যানার অপসারণ করতে আহবান জানিয়েছিলাম, উনি অপসারণ করেননি।
তাই শিক্ষার্থী হিসেবে নিজে ছিড়ে দিলাম। ক্যাম্পাসে দলীয় ব্যানারে রাজনীতির যতোগুলো উপসর্গ যখনই পাবো শিক্ষকদের তখনই বিরোধিতা করব। শিক্ষক রাজনীতি শিক্ষার মাথা খেয়ে একেকজনকে পলিটিকাল দালাল বানাইয়া রাখছে।’
নতুন পোস্টটিতে আল্টিমেটাম দিয়ে লেখা পূর্বের পোস্টটিও জুড়ে দিয়েছেন আম্মার।
ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘৭৩-এর অধ্যাদেশের সেকশন ৫৫(২) অনুযায়ী যা করা যাবে না (আইন ও প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী): ১. বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দলীয় রাজনীতি বা প্রচার চালানো। ২. শিক্ষক সমিতিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে ব্যবহার করা।’
তিনি লিখেছেন, ‘জিয়া পরিষদের জনৈক সভাপতির ব্যানার দেখলাম। আমি আগেই লিখেছি এনারা পার্ট টাইম শিক্ষক, ফুল টাইম পলিটিশিয়ান, শিক্ষাপন্থী একটাও না।
আমি ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যাদেশ অনুযায়ী দলীয় প্রচার চালাতে দিব না, তাই বেলা ২টার মধ্যে এই ব্যানার তুলে নিবেন জিয়া পরিষদ। না হলে ব্যানার আমি তুলে ফেলে দিব। এর বিরুদ্ধে যদি আপনারা অবস্থান নিতে চান সেটার জন্যও আপনাদের স্বাগতম।’
সালাহউদ্দিন আম্মার আরও লিখেছেন, ‘আমি রাবি প্রক্টর ড. মো. মাহবুবর রহমান স্যারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি ভুল কিছু চাইনি শিক্ষার্থী হিসেবে। এবং জনাব তারেক রহমান (বিএনপি চেয়ারম্যান), আপনার প্রতি অনুরোধ!!
আমার ক্যাম্পাসে আমি শিক্ষক রাজনীতি চাইনা, আপনার সংগঠনকে নির্দেশনা দিয়ে দিবেন আশা রাখি যে তারা যেনো শুধুমাত্র শিক্ষাপন্থী হয়। ক্যাম্পাসের বাইরে তাদের সকল কার্যক্রম চলুক কিন্তু ক্যাম্পাসের ভিতরে শুধু একটাই পরিচয় একজন সম্মানিত শিক্ষক।’
পোস্টটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেছেন, ‘অন্য আরেকটি দল জামায়াতে ইসলামীর জন্যও একই বার্তা। তবে তারা ক্যাম্পাসে দলীয় ব্যানারে এখন পর্যন্ত একটা বিবৃতিও দেয়নি, মিছিল মিটিং করেনি- এমনকি তাদের দলীয় পরিচয় এই ক্যাম্পাসে আমি পাইনি এখনও।
আপনারা যেকোনো দল করেন, রাজনীতি করেন তবে সেটা ক্যাম্পাসের বাইরে। আর শিক্ষার্থীরা ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ চান কিন্তু এর নেপথ্যে থাকে ভয়াবহ শিক্ষক রাজনীতি তাই এই শিক্ষক রাজনীতি নিয়ে সবার আগে সোচ্চার হোন।’
মন্তব্য করুন

