

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার একমাত্র সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শূন্যপদ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গর্ভবতী ও প্রসূতি নারীরা। প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা কম থাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর চাপ আর সেবার সংকট।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে এলেও গাইনি বিভাগে নেই কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কিংবা সার্জন। ফলে স্বাভাবিক প্রসব থেকে শুরু করে জটিল প্রসূতি সেবা কার্যত বন্ধ হয়ে আছে। জরুরি রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দিতে না পারায় অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নোয়াখালী সদর, চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকায় নিতে বাধ্য হন স্বজনরা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদীপথের দীর্ঘ ও কষ্টসাধ্য ভ্রমণে অনেক প্রসূতির গুরুতর অবস্থা আরও অবনতির দিকে যায়। এতে সময়মতো সেবা না পেয়ে জীবনহানির আশঙ্কাও দেখা দেয়। দরিদ্র পরিবারের জন্য এই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে অনুমোদিত চিকিৎসকের সংখ্যা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে অধিকাংশ পদ শূন্য। জনবল সংকটের কারণে গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিভাগই অকার্যকর হয়ে গেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, বিশেষজ্ঞ গাইনি ডাক্তার না থাকায় বাধ্য হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে ছুটতে হচ্ছে, যা ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
স্থানীয়দের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে গাইনি বিশেষজ্ঞসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে সক্ষম করে তোলা হোক। পাশাপাশি মাতৃস্বাস্থ্য সেবার মান বাড়াতে সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন