

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভিজিএফের চাল বিতরণ ও প্যানেল চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টায় রাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি এলাঙ্গী গ্রামের মোশাররফ হোসেন কালু, বিএনপি স্থানীয় নেতা খাইরুল ইসলাম ও রাসেল আহমেদকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সেখানে বিএনপি সভাপতি আলফাজ উদ্দীন কালুর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
তবে, সকাল ১০টা থেকেই উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালুর লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে কড়ইগাছি মোড়ে ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সারগিদুল ইসলামের লোকজন রাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভিতরে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করছিলো।
ঘটনাস্থলে বর্তমানে বিপুল পরিমাণ সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
জানা গেছে, সরকার পরিবর্তনের পরপরই রাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সাকলায়েন সেপুকে সরিয়ে দিয়ে ওয়ার্ড সদস্য সারগিদুল ইসসলামকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। বর্তমানে সারগিদুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করছেন।
কিন্তু বিএনপির উপজেলা কমিটির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু ও তাদের লোকজন দাবি করেছেন, সারগিদুল ইসলাম অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া গরিবদের জন্য বরাদ্দকৃত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা তার নিজের লোকজনের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করছেন। এর প্রতিবাদ জানাতে আজকে বিএনপির স্থানীয় লোকজন এখানে এসেছে।
এদিকে প্যানেল চেয়ারম্যান সারগিদুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়েছে। সে মতে, ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পালন করছি। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ভিজিএফের চাল বিতরণ হবে।
কিন্তু গতকাল থেকেই এলাকায় তারা ভিজিএফের চাল লুট করবে বলে প্রচার করে আসছে। তাই আজকে আমি ও আমার লোকজন পরিষদের ভিতরে অবস্থান নিয়েছি।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাশ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যাতে আর কোনো অপ্রিতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী অবস্থান করছেন।
মন্তব্য করুন