

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকার দুইটি ফুটওভার ব্রিজের অধিকাংশ জায়গা দখল করে বসেছে হকারদের দোকানপাট। নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী থেকে শুরু করে পোশাক, ফলমূল ও বিভিন্ন প্রসাধনীর পসরা সাজিয়ে বসায় পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফুটওভার ব্রিজের সিঁড়ি থেকে শুরু করে মাঝামাঝি অংশ পর্যন্ত সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়েছে অস্থায়ী দোকান। অনেক সময় হকাররা সড়কের ধারে নেমে ক্রেতা ধরতে গিয়ে পথচারীদের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকেন। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনি চুরি-ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী, শিশু ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন। ফুটপাত ও ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করতে না পেরে অনেকেই বাধ্য হয়ে ব্যস্ত সড়কে হাঁটছেন, যাকিনা যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
পথচারীরা জানান, ফুটওভার ব্রিজ থাকতেও আমরা ব্যবহার করতে পারি না। হকারদের দোকানের কারণে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। দ্রুত তাদের উচ্ছেদ করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।
অপরদিকে হকাররা জানান, পেটের দায়ে অনেকেই বসেছেন এই স্থানে। ব্রিজে লোকজন বেশি হয় বলে তাদের বিক্রয়ের পরিমাণও বেশি হয়। তবে তাদের প্রশাসনের কাছে দাবি নির্দিষ্ট একটি স্থান যদি করে দেয়া হয় তাহলে তারাও উচ্ছেদ অভিযান থেকে রেহাই পাবে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারআব্দুল্লাহ আল মামুন, জানান, মাঝেমধ্যেই অভিযান চালিয়ে হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। তবে পুনরায় দখল করে বসার প্রবণতা রয়েছে। জনভোগান্তি কমাতে শিগগিরই আবারও অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
শহরের সচেতন মহল মনে করছেন, কেবল সাময়িক উচ্ছেদ নয়, টেকসই সমাধানের জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণ, নিয়মিত তদারকি এবং কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন।অন্যথায় ফুটওভার ব্রিজ ও ফুটপাত দখলের এই চিত্র বদলাবে না, আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে সাধারণ মানুষকেই।
মন্তব্য করুন
