

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিসিএস ক্যাডার হয়ে দেশসেবার স্বপ্নে বুক বেঁধেছিলেন মাদারীপুরের শিবচরের তরুণ মীর তানভীর আহমেদ (৩১)।
৪৫তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তবে নতুন কর্মজীবনে যোগদানের আগেই নিভে গেল সেই আলো।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেললাইনের পাশ থেকে তাঁর গলাকাটা ও খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড-তা নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে।
নিহত তানভীর শিবচর উপজেলার ভদ্রাসন ইউনিয়নের ডিগ্রিরচর এলাকার মীর বজলুর রশিদের ছেলে। তিনি দিনাজপুরের গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটে ফার্ম সুপারিনটেনডেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন।
সম্প্রতি তাকে পঞ্চগড়ে বদলি করা হয়েছিল। বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর তানভীর বর্তমান চাকরি থেকে পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত রাত থেকেই তানভীরের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন দুপুরের দিকে স্বজনরা নীলফামারীর সৈয়দপুরে তাঁর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের খবর পান। স্বজনদের দাবি, তানভীরের ফোন ও মানিব্যাগ তাঁর অফিসকক্ষেই পাওয়া গেছে।
এছাড়া মরদেহের গলা কাটা ও একাধিক অংশ খণ্ড-বিখণ্ড থাকায় ঘটনাটিকে স্বাভাবিক ট্রেন দুর্ঘটনা হিসেবে মানতে পারছেন না তারা। পরিবারের অভিযোগ, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে।
এক প্রতিশ্রুতিশীল তরুণের এমন অকাল ও রহস্যজনক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মৃত্যুর আসল কারণ উদঘাটনে তদন্ত প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। তদন্ত শেষেই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড।


