

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


স্বাভাবিকের চেয়ে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সাজেকে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়। এখন পর্যন্ত সাজেক রিসোর্ট ও কটেজগুলো শতভাগ বুকিং। গত কয়েকদিনে অন্তত ১৫ হাজার পর্যটক ঘুরেছে সাজেক। পাহাড়ের বিরাজমান অস্থিরতা ও আগুনে পুড়ে যাওয়া সাজেকের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে শুরু করেছে পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এদিকে চলমান জ্বালানি তেল সংকটের ফলে পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।
পাহাড়ি জনপদ রাঙামাটির সাজেকে তেল সংকটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাজেক পানি সরবরাহকারীরা। ডিজেল সংকটের ফলে পানির পাম্পগুলো চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে চাঁদের গাড়ির জ্বালানি না পাওয়ার ফলে হোটেল-রিসোর্টগুলোতে পানি সরবরাহ রীতিমতো বির্পযস্ত হচ্ছে।
সাজেক থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অন্তত ২ হাজার ৫শ ফুট নিচের সিজকছড়া থেকে শ্যালো ইঞ্জিনের (পাম্প) মাধ্যমে পানি টেনে তোলা হয় প্লাস্টিকের পানির ট্যাংকে। পরে সেই ট্যাংকে জীপ গাড়ি করে পানি সাজেক ভ্যালির রিসোর্ট কটেজ, রেস্তোরাঁ ও হোটেলগুলোতে পানি সরবরাহ করা হয়।
ঈদুল ফিতরের পরের দিন থেকে টানা ছুটিতে হাজারো পর্যটক প্রবেশ করছে সাজেক উপত্যকায়। ফলে গোসল ও দৈনন্দিন কাজের পানির চাহিদা মিটিয়ে থাকে পানি সরবরাহকরীরা।
জ্বালানি তেল সংকটের ফলে ব্যবসায়ীরা নিয়মিত পানি সরবরাহ না পেলে ভোগান্তি পড়বে পর্যটকরা এতে বিশাল ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা পর্যটন ব্যবসায়ীদের।
সাজেকে তেল সংকটের ফলে দীঘিনালা ও খাগড়াছড়ি এসেও তেল না পেয়ে হতাশ পানি সরবরাহকারীরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে তেল সংকট সমাধান করতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে সাজেক ভ্যালির রিসোর্ট কটেজ, রেস্তোরাঁ ও হোটেলগুলোতে পানি সরবরাহকারী ল্যাইনম্যান বিনিময় চাকমা৷ এসময় তিনি আরো বলেন "তেল সংকটের ফলে পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে পর্যটকসহ স্থানীয়রা।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান জানান, "তেল সংকটের বিষয়টি মনিটরিং করা হচ্ছে এবং তেল সংকট উত্তরণের জন্য প্রশাসন কাজ করছে।
মন্তব্য করুন