

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা।
টানা ১০ দিনের দীর্ঘ ছুটিতে ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিনেই বিপুল সংখ্যক বাইকার ও ভ্রমণপিপাসু মানুষ পাহাড়ি জনপদ খাগড়াছড়িতে ঘুরতে আসেন।
তবে হঠাৎ করে জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় অনেকেই পড়েছেন বিপাকে। ফলে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ মাটি করে ঘরে ফিরছেন অনেকে।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল থেকেই খাগড়াছড়িতে পর্যটকের উপস্থিত বেড়েছে ২-৩ গুণ। স্থানীয় জ্বালানি তেলের ফিলিং স্টেশনগুলোতে লম্বা লাইন দিয়েও তেল না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাজেকগামী বাইকারদের। এতে করে কেউ তেল না পাওয়ার ফলে সাজেক ঘুরতে না পেরেই ফিরে যেতে দেখা গেছে।
দীঘিনালা উপজেলায় তেল সংকট গ্রাহক ভোগান্তিতো পড়লে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে, এসময় যানবাহনগুলোতে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করে।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকের সাথে কথা হলে বাইকার মো. রুবেল বলেন, ‘তেল সংকটের ফলে আমাদের আরও অনেকই সাজেক যেতে পারেনি। ঈদের সময় পাহাড়ের পর্যটন স্পটে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাইকে করে ঘুরতে আসেন। তেল সংকটের ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।’ এতে করে অনেকের ঈদ আনন্দ মাটি হয়ে গেছে।
বাইকাররা অভিযোগ করে বলেন, ‘ঈদে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল সরবরাহ করা দরকার ছিলো। একই সাথে প্রশাসনের জোর তদারকিও অব্যাহত রাখার প্রয়োজন। সারাদেশ থেকে মানুষ ঘুরতে আসে পাহাড়ে। তেল না পাওয়ার ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বাইকারদের।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, ‘খাগড়াছড়িতে আজকের দিন পর্যন্ত তেল সংকট নেই। তবে ঈদে বাড়তি চাপ রয়েছে ফিলিং স্টেশনে। লম্বা লাইনে অপেক্ষা করে তেল সংগ্রহ করতে হবে। আমরা গ্রাহকের চাহিদা মতো তেল সরবরাহ করার জন্য ফিলিং স্টেশন গুলোতে নির্দেশ দেওয়া আছে।’
এদিকে জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যেও আজ দেড় শতাধিক বাইক এবং ৩ হাজারের অধিক পর্যটক সাজেকে প্রবেশ করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা।
মন্তব্য করুন