

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের অন্যতম ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কার্যক্রম।
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রোববার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় কেন্দ্রটি। এতে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ না হওয়ায় এলাকায় চরম আকার ধারণ করেছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট।
জানা গেছে, ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে উৎপাদনের বাইরে।
এর আগে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়।
প্রায় ১৫ দিন পর গত ১৪ জানুয়ারি প্রথম ইউনিটটি পুনরায় চালু হলেও মাত্র চার দিনের মাথায় রোববার সেটি পুনরায় বন্ধ হয়ে যায়।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রথম ইউনিটের বয়লারের পুরো টিউব ফেটে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে।
প্রায় এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বয়লারটি ঠাণ্ডা হলে মেরামতকাজ শুরু করা হবে।
কবে নাগাদ আবার উৎপাদনে ফেরা যাবে, তা এ মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। এবারের মেরামত শেষে উৎপাদনে ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।
প্রথম ইউনিটটি অনেক পুরনো হওয়ায় প্রতি পাঁচ বছর পরপর মেরামতের প্রয়োজন হয়; ইতিমধ্যে এর বয়স প্রায় ২০ বছর।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পরিচালিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লার ওপর নির্ভর করে এ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনালের তত্ত্বাবধানে থাকা ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটের যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের কাজ চলছে।
চীন থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পৌঁছালে তৃতীয় ইউনিটটি পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মার্চ মাসে উৎপাদনে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন
