

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বরগুনার আমতলী উপজেলায় সিএনজি ও মাহেন্দ্র স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা আদায়ের সময় পৌর শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ মিল্টন হাওলাদার ও তার সহযোগী লাইনম্যান সুমনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে আমতলী চৌরাস্তায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে চাঁদা আদায় কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে আমতলী চৌরাস্তায় সিএনজি ও মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছিলেন মিল্টন হাওলাদার। এ নিয়ে গত ৭ মার্চ একই দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। পরবর্তীতে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ উপজেলার সকল স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা আদায় বন্ধের নির্দেশ দেন। এতে প্রায় দেড় মাস ধরে চাঁদা আদায় বন্ধ ছিল।
তবে অভিযোগ রয়েছে, গত এপ্রিল মাসের শেষের দিকে পুনরায় চাঁদা আদায় শুরু করেন মিল্টন হাওলাদার। মঙ্গলবার দুপুরে সিএনজি ও মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডে চাঁদা আদায়ের সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে ও তার সহযোগী সুমনকে আটক করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সিএনজি ও মাহেন্দ্র চালক জানান, দেড় মাস বন্ধ থাকার পর গত শনিবার থেকে আবারও চাঁদা আদায় শুরু হয়। এতে চালকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়।
এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই মিল্টন হাওলাদার বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও দখল বাণিজ্যের মাধ্যমে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।
এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আমতলী থানার এসআই সম্রাট বলেন, 'স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা আদায়ের সময় মিল্টন ও সুমন নামের দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলে, আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।'
মন্তব্য করুন