সোমবার
১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নান্দাইলে গো খাদ্য খড় সংগ্রহে ব্যস্ত কৃষক  

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
নান্দাইলে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন গো-খাদ্য হিসেবে খড় সংগ্রহ ও সংরক্ষণে
expand
নান্দাইলে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন গো-খাদ্য হিসেবে খড় সংগ্রহ ও সংরক্ষণে

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় এখন কৃষকদের ব্যস্ত সময় পার হচ্ছে ধান কাটার পাশাপাশি গো-খাদ্য হিসেবে খড় সংগ্রহ ও সংরক্ষণে।

মাঠজুড়ে চলছে ধান মাড়াই, খড় শুকানো ও( গাদা/পুঞ্জি) তৈরির কাজ। অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা এখন ভবিষ্যতের গবাদিপশুর খাদ্য সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে নান্দাইলে ৯৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। তবে কয়েক দিনের টানা অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় অন্তত ২০২ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে অনেক কৃষক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কৃষকেরা ধান কাটার পর জমি থেকে খড় সংগ্রহ করে বাড়িতে নিচ্ছেন। কেউ খড়ের ( গাদা/পুঞ্জি) তৈরি করে সংরক্ষণ করছেন। গবাদিপশুর প্রধান খাদ্য হওয়ায় খড়ের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন খামারিরা।

উপজেলার একাধিক কৃষক জানান, বর্তমানে গরুর খাদ্যের দাম অনেক বেশি। তাই নিজেদের জমির খড় সংরক্ষণ করলে গবাদিপশু পালনে খরচ অনেকটাই কমে আসে। সামনে কোরবানির ঈদ থাকায় গরু মোটাতাজাকরণেও খড় ও শুকনা খাদ্যের চাহিদা বেড়েছে।

খামারি শাহজাহান মিয়া বলেন, কয়েক দিনের টানা (মেঘে) অতিবৃষ্টি কারনে (বন)খেড় নষ্ট হয়ে গেছে আর সামনে তো আষাঢ় মাস “বর্ষাকালে মাঠে ঘাস কম পাওয়া যায়। এজন্য এখন থেকেই (বন)খড় সংগ্রহ করে রাখছি, যাতে পরে গরুর খাওনের অভাব না হয়।

কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, খড় সঠিকভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করলে দীর্ঘদিন গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। এতে কৃষক ও খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি গবাদিপশুর খাদ্য সংকটও অনেকাংশে কমে আসে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন