শনিবার
০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম
কৃষি ও মৎস প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
expand
কৃষি ও মৎস প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মেদির হাওড় পরিদর্শন ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে চেক ও ত্রাণ বিতরণ করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি ও মৎস প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

শনিবার (৯ মে) উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের বিভিন্ন হাওরের প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার বিঘা জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে উপজেলার প্রায় আড়াই হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এর মধ্যে এক কৃষক তলিয়ে যাওয়া জমি দেখে জমির পাশেই মারা যায়। কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ উক্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে কৃষকদের সাথে দেখা করে তিনি বলেন, আমি কৃষকের পুত, আমি নিজেও একজন কৃষক।আমি বুঝি কৃষকের মনের কষ্টের কথা।দেশের ৭৫% মানুষ কৃষক।আমার ধানটা এরকম পচলে আমিও বুঝতাম কত কষ্ট।ধান গুলো এই পর্যায় নিয়ে আসতে কৃষকের বহুত কষ্ট হয়ছে। সুতরাং এই সরকারের মূলনীতি হল, মুল সিদ্ধান্ত হল কৃষকদেরকে অর্থনেতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।

আরো বলেন, বর্তমান নিয়মে ধান বিক্রি না করে প্রতিটি ইউনিয়নে মাইকিং করে প্রতি কৃষক ধান দিবে সরকারকে।যারা সরকারের দেওয়া সঠিক মূল্য পাবে।৯০ দিনের মধ্যে ধান ঘরে তুলতে পারবে এমন ধান উদ্বাবনের কথা জানান তিনি। বিশেষ করে হাওরে চাষ করা যায় এমন ধানের জাত দ্রুত সময়ের মধ্যে আনা হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে দুজন করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে

পরিদর্শন শেষে বিকাল চারটার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এক জনসভা নিহত কৃষক ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে নগদ টাকা ও চেক হস্তাস্তর করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সঞ্চালনায় জনসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদস সদস্য এম এ হান্নান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ, ইউএনও শাহীনা নাছরিন ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বশির উদ্দীন তুহিনসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

উপজেলা কৃষি সুত্রে জানা গেছে, পানির নিচে পাকা ও আধপাকা ৩০০ হেক্টর ধানি জমি তলিয়ে গেছে। আর ৩২০ হেক্টর জমির ধান কেটে আনায় বৃষ্টির কারণে পচে নষ্ট হয়েছে। যার মোট ক্ষতি প্রায় ১৩ কোটি টাকা। উপজেলায় প্রায় আড়াই হাজার কৃষক ক্ষািতগ্রস্ত হয়েছে।আজকে ২৫০ কৃষকদে চাল দেওয়া হবে। পরে পর্যায়ক্রমে অন্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চাল দেওয়া হবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন