

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে চাঁদাবাজির মামলায় মো. মিলন (২৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার করইতলা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চরলরেন্স ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। মিলন নিজেকে চরলরেন্স ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে আসছিলেন।
এর আগে গত ২০ এপ্রিল চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বাদী হয়ে মিলনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে কমলনগর থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। মামলায় মিলনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন:- একই ইউনিয়নের হাফিজ উল্যাহ মান্টুর ছেলে মোশারফ হোসেন (২৭), ওয়াহেদুন নবী বিপ্লবের ছেলে মেজবাহ উদ্দিন রাতুল (২২), ছানা উল্যাহর ছেলে আবদুল মন্নান (২০) এবং মৃত নুরনবীর ছেলে মো. জিহাদ (২০)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মিলন যুবদলের প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজি, সরকারি জায়গা দখল এবং করইতলা বাজারের বিভিন্ন স্থানে জুয়ার আসর পরিচালনা করতেন। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের সুবিধাভোগী হিসেবে উপজেলার প্রভাবশালী কিছু নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে রাজনৈতিক ভাবমূর্তির বিষয় বিবেচনায় একজন প্রভাবশালী আশ্রয়দাতাকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার বাদী ও চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বলেন, “ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর করইতলা বাজারের এক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় মিলন নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। বাধ্য হয়েই আমরা মামলা করেছি।”
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল আলম বলেন, “মামলার প্রধান আসামি মিলনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”