

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জের মাধবপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার একমাত্র পলাতক আসামি মোঃ ফয়সাল মিয়াকে (৩৪) মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মাধবপুর থানাধীন শাহজাহানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। গ্রেফতারকৃত ফয়সাল মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা এবং বিবাহিত; তার দুই সন্তান রয়েছে। পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে তিনি ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, ভিকটিমের পিতাকে শায়েস্তাগঞ্জ এলাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি পেতে সহায়তা করার মাধ্যমে আসামির সঙ্গে পরিবারের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তার আচরণে সন্দেহ হলে ভিকটিমের পরিবার তাকে বাড়িতে আসা-যাওয়া নিষিদ্ধ করে। এরপরও আসামি কৌশলে ভিকটিমকে প্রলোভনে ফেলে সম্পর্ক গড়ে তোলে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৫ এপ্রিল তারিখে রাত আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে ফয়সাল মিয়া মোবাইল ফোনে ডেকে ভিকটিমকে তার নতুন বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ভিকটিম রাজি না হওয়ায় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩) এর ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে র্যাব-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার গোপায়া ইউনিয়নের ধুলিয়াখাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ ফয়সাল মিয়া (পিতা: মোঃ দেওয়ান আলী, গ্রাম: শাহজাহানপুর, থানা: মাধবপুর, জেলা: হবিগঞ্জ) কে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন