

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজশাহী বিভাগে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পাঁচ জেলায় শিশুদের জন্য তিন সপ্তাহব্যাপী বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
সংক্রমণপ্রবণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে হাজারো শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় মোট ৫৬ হাজার ৬০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি জানান, প্রথম দিনেই ২৭টি কেন্দ্রে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এদিন ৫ হাজার ৬০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সুশৃঙ্খলভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এস আই এম রাজিউল করিম বলেন, ৫ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এ টিকার আওতায় আনা হবে। তিনি জানান, প্রথম দিনে শুধু গোদাগাড়ী উপজেলায় ৫ হাজার ৬৫০ জন এবং পৌর এলাকায় ৬২৮ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যেসব শিশু অন্তত ২৮ দিন আগে টিকা নিয়েছে, তারাও এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় পুনরায় টিকা পাবে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে জেলায় প্রায় ৪০ হাজার শিশুকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। আগামী তিন সপ্তাহ প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকাদান কার্যক্রম চলবে।
হামের বিস্তার রোধে এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা গেলে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
মন্তব্য করুন