রবিবার
২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাধবপুরে রাতে আটক মাটি পাচারকারী, সকালে মুক্তি

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
মাটি পাচারের সময় সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক চক্র সদস্যরা
expand
মাটি পাচারের সময় সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক চক্র সদস্যরা

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় রাতে মাটি পাচারের সময় সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক একটি চক্রকে পরদিন সকালে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে উপজেলার শাহজাহানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনী মাটি পাচারের সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে আটক করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ভেকু (এক্সকাভেটর) মেশিন এবং দুটি ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়। পরে আটক ব্যক্তিদের মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আটককৃতরা হলেন, সম্বু সরকার (৬০), পিতা: মৃত রহমান সরকার, গ্রাম: দুর্গাপুর; রেদোয়ান আহমদ (সোহাগ) (১৭), পিতা: সোহেল মিয়া, গ্রাম: বেকুয়া বাজার; মারুফ মিয়া (১৭), পিতা: বিল্লাল মিয়া, গ্রাম: পরমান্ধবপুর, সোহেল খান (৪৯), পিতা: মৃত আঞ্জুব আলী খান, গ্রাম: শাহজাহানপুর এবং সালমান (২৫), পিতা: আব্দুল হাই, গ্রাম: চরদরবেশ, থানা: সোনাগাজী, জেলা: ফেনী।

এদিকে, মো রিপন মিয়া নামে এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, মাটি কাটা বৈধ হওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, “সেনাবাহিনী তাদের আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে, তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো আইনি প্রক্রিয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।”

সেনাবাহিনীর মেজর আসিফ জানান, “এটি আমাদের এখতিয়ারের বাইরে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ পেয়ে আমরা অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি। মামলা করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সংস্থার।”

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ বিন কাশেম বলেন, “রাতে মাটি পাচারের অভিযোগে পাঁচজনকে আটকের কথা শুনেছি। তবে সকালে তাদের ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে আমি অবগত নই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন