

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের চাপে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ যানজট। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যার পর থেকে হঠাৎ যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানবাহন চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার দিনভর পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে বদলে যেতে থাকে দৃশ্যপট। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর থেকে চন্দ্রা টার্মিনাল পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের কবিরপুর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত আরও ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট দেখা দেয়। সব মিলিয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের প্রায় তিন শতাধিক পোশাক কারখানা দ্বিতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা করে।
এর ফলে কয়েক লাখ শ্রমিক ও কর্মজীবী মানুষ পরিবার নিয়ে একযোগে নাড়ির টানে বাড়ির পথে রওনা হন। বিপুল সংখ্যক যাত্রী ও বাস একসাথে রাস্তায় নেমে আসায় মুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে ট্রাফিক ব্যবস্থা।
ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীরা জানান, চন্দ্রা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত পৌঁছাতেই তাদের ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় ব্যয় হচ্ছে। টার্মিনালে পৌঁছানোর পরও বাসের সংকটে পড়তে হচ্ছে। এছাড়া অনেক বাস যাত্রী তোলার জন্য মাঝরাস্তায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় যানজট আরও প্রকট হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারি সত্ত্বেও কাউন্টারগুলো বন্ধ থাকায় যাত্রীরা যত্রতত্র বাসে ওঠার চেষ্টা করছেন, যা বিশৃঙ্খলা বাড়িয়ে দিয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। হাইওয়ে ও জেলা পুলিশের সদস্যরা জট নিরসনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন