

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বর্তমানে রাজবাড়ী পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে সৃষ্টি হয়েছে ময়লার স্তূপ। ফলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, তেমনি বেড়েছে মশা-মাছির উপদ্রব।
এ অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে রাজবাড়ী পৌরসভার একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে, পৌরসভার সহযোগিতায় ময়লা-আবর্জনা ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন রাজবাড়ী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম রোমান।
বুধবার (৪ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজবাড়ী শহরের রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়ক সংলগ্ন পুলিশ লাইনস এলাকার স্তুপ করে রাখা ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেন কর্মীরা। এ সময় পথচারী, সাধারণ মানুষসহ পৌরবাসীরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
স্থানীয়রা বলেন, রাজবাড়ী পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পুলিশ লাইনস। পাশাপাশি এখানে মুরগি ফার্ম, নতুন বাজার, দুটি স্কুল ও জনবসতি রয়েছে। কিন্তু জনগুরুত্বপূর্ণ এই পুলিশ লাইনস গেটের উল্টো পাশে মহাসড়কের ধারেই দীর্ঘদিন ধরে ফেলা হচ্ছিল ময়লা-আবর্জনা। এর দুর্গন্ধে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়েছিল এবং মশা-মাছির উপদ্রবও বেড়েছে। খালের পাশেই রয়েছে শিশুদের একটি কিন্ডারগার্টেন এবং কিছু দূরে পুলিশ লাইনস স্কুল। ময়লার দুর্গন্ধে শিশুদেরসহ স্থানীয়দের নানা রোগব্যাধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের তেমন উদ্যোগ দেখা যায়নি। তবে ছাত্রদল নেতা রোমানের উদ্যোগে অবশেষে ময়লা পরিষ্কার শুরু হয়েছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি যে উদ্দেশ্যেই এই কাজ শুরু করে থাকুন না কেন, উদ্যোগটি ইতিবাচক। সবাই সচেতন হলে পৌরসভার এমন দুরবস্থা থাকত না। তার পাশে থেকে সবার সহযোগিতা করা উচিত।
উদ্যোক্তা রাজবাড়ী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম রোমান বলেন, রাজবাড়ী পৌরসভার একজন নাগরিক হিসেবে এখানকার দুর্দশা ও সমস্যাগুলো আমাকে ভাবায়। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেছি। ইতোমধ্যে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ড্রেন পরিষ্কারের কাজ প্রায় শেষের দিকে। আজ জনগুরুত্বপূর্ণ পুলিশ লাইনস এলাকার ময়লা পরিষ্কার করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বড় বাজারের মুরগি বাজার ও হাসপাতাল সড়কের ড্রেন সমস্যার অভিযোগও পেয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পৌর এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাবেন। এ কাজের জন্য পৌরসভার সচিব, নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন। তাদের সমন্বয়েই আজ ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ময়লা-আবর্জনার কারণে পৌর এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে। খুব শিগগিরই ব্যক্তিগতভাবে পৌর এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচি শুরু করবেন এবং পৌরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
মন্তব্য করুন