

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সমুদ্র উপকূলে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে টানা তিন ঘণ্টার যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। উপজেলার কুমিরা, বাশবাড়িয়া, বাড়বকুণ্ড ও গুলিয়াখালীসহ উপকূলবর্তী বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান চালানো হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন কচি এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অভিযানকালে সমুদ্রে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে ১৩ জনকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন নৌযান ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে।
জরিমানার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠান ও নৌযানের মধ্যে রয়েছে—এমবি রাকিব-১ বাল্কহেড (২০ হাজার টাকা),এমবি নাহিদ লাবিব ড্রেজার (মেসার্স মিঞা খান এন্টারপ্রাইজ) ৫০ হাজার টাকা,মেসার্স এম আর ট্রেডার্স ৬০ হাজার টাকা,এমবি আফরা মুন্সী বাল্কহেড ২০ হাজার টাকা, এমবি ফাইজা এন্ড মাইশা ট্রান্সপোর্ট বাল্কহেড ২০ হাজার টাকা, ইয়া আল্লাহ ড্রেজার ৫০ হাজার টাকা,মেসার্স জুনায়েদ এন্টারপ্রাইজ (ড্রেজার) ৫০ হাজার টাকা, একরাম জুনায়েদ বাল্কহেড ২০ হাজার টাকা, এমবি মক্কা মদিনা বাল্কহেড ২০ হাজার টাকা এবং ফারিয়া ঈসা বাল্কহেড ২০ হাজার টাকা।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযুক্তদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি জব্দ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কারাদণ্ডসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ইজারা শর্ত ভঙ্গের প্রমাণ মিললে ইজারা বাতিলের ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, উপকূলে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান চলবে ধারাবাহিকভাবে।
মন্তব্য করুন
