

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়-এর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অভিযোগে ৯ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষার সময় এই অনিয়ম ধরা পড়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও রাজস্ব প্রশাসন নিয়োগ নির্বাচনী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান।
তিনি জানান, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাজস্ব প্রশাসনের অধীনে বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক ৫৫টি, নিরাপত্তা প্রহরী ৩টি এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী ১টিসহ মোট ৫৯টি পদে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় ২২ ফেব্রুয়ারি। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মৌখিক পরীক্ষায় উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বুধবার মৌখিক পরীক্ষার সময় কয়েকজন পরীক্ষার্থীর আচরণ ও উত্তরের ধরনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পরে তাদের লিখিত পরীক্ষার খাতার হাতের লেখার সঙ্গে তাৎক্ষণিক লেখার তুলনা করে অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা দিলে একপর্যায়ে তারা প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে।
ঘটনার পরপরই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সূফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল, রাহুল ঘোষ পলাশ, আমিন অর রশিদ, মশিউর রহমান ও রিয়াদ হোসেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মোঃ নিজাম উদ্দিন (হোসেনপুর), পিয়াস (পাকুন্দিয়া), সাব্বির (হোসেনপুর), মেহেদী (পাকুন্দিয়া), শফিকুল (মিঠামইন), নজরুল (ইটনা), জসিম (তাড়াইল), রাহিমা আক্তার (কিশোরগঞ্জ সদর), ফয়সাল (তাড়াইল)।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসদুপায় বরদাস্ত করা হবে না। ভবিষ্যতেও এমন জালিয়াতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন
