

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রায় দশ মাস আত্মগোপনের পর যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেড এলাকায় ঝুট ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ ও পিস্তল উচিয়ে গুলিবর্ষণের ঘটনায় আলোচিত সন্ত্রাসী সোহাগ (৩৪) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসময় তার দুই সহযোগী আব্দুল জলিল (৩২) ও মো. পারভেজ (২৫) কে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের কাছ থেকে একশো বিশ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের মার্চে সোহাগকে আদমজী ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গুলিবর্ষণ করতে দেখা যায়। সেই সময় উভয়পক্ষের অন্তত আটজন আহত হন। সংঘর্ষে কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সোহাগ দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক বলেন,“ভোরে কদমতলীর একটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোহাগকে দুই সহযোগীসহ আটক করা হয়েছে। অভিযানের সময় তারা মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন। তবে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। আটক তিনজনের দেহ তল্লাশি করে ১২০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, “সোহাগের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক ও ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার সহযোগী জলিল ও পারভেজের বিরুদ্ধেও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে মামলা বিচারাধীন। অস্ত্র সংক্রান্ত বিষয়ে সোহাগ কিছুই স্বীকার করেননি। তবে আমরা ঘটনার প্রেক্ষিতে আদালতে রিমান্ড চাইবো।
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ৬ মার্চ আদমজী ইপিজেডে ইউনিভার্সেল নামের একটি পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের সময় কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয় এবং তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে জানা যায়, সংঘর্ষের সময় সোহাগকে প্রকাশ্যে পিস্তল হাতে গুলিবর্ষণ করতে দেখা গেছে। ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করলে সোহাগ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।
মন্তব্য করুন
