

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে একযোগে ৭৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এসব হামলায় ‘কিয়াম’ (তরল জ্বালানি) এবং ‘জুলফিকার’ (সলিড জ্বালানি) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) এসব তথ্য জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
এ হামলায় আল-ধাফরা, ভিক্টোরিয়া, পঞ্চম নৌবহর এবং কিং সুলতান নামের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ছাড়াও ইসরায়েলের আশকেলন, তেল আবিব, হাইফা ও গুশ দান শহরে সেনাবাহিনীর অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু ছিল।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ‘ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা’ হওয়ায় তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রেখেছেন।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে উল্লেখ করেন, গত দুই দিনে দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করে হামলা স্থগিত থাকবে।
এর আগে শনিবার ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় সকল জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দিতে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তারা প্রণালিটি বন্ধ করতে পারে এবং ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলা চালাতে পারে।
আইআরজিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে তারা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা কেন্দ্র এবং অর্থনৈতিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করবে। ইরানের প্রতিরক্ষা কাউন্সিল আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণ উপকূল বা দ্বীপপুঞ্জে হামলা হলে সমুদ্রপথে মাইন বসিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের জাহাজ চলাচল বন্ধ করা হবে।
কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলশ্রুতিতে সাম্প্রতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হলেও মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা এখনও রয়ে গেছে।
মন্তব্য করুন
