

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লা লিগার শিরোপা দৌড়ে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বার্সেলোনা। কাতালান ডার্বিতে এস্পানিওলকে ৪–১ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। এই জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের সাথে বার্সার পয়েন্ট ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৯।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে বার্সেলোনা। ধীরস্থির আক্রমণে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার কৌশলেই এগোয় দলটি। তবে রক্ষণভাগ সামলে শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে এস্পানিওল।
প্রথম গোল পেতে অবশ্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি স্বাগতিকদের। কর্নার থেকে আসা বলে হেডে জাল খুঁজে নেন ফেরান তোরেস।
যদিও একতরফা ছিল না পুরো ম্যাচ। মাঝে মাঝে পাল্টা আক্রমণে বার্সার রক্ষণে চাপ তৈরি করেছিল এস্পানিওল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে কার্যকারিতার অভাবেই গোলের দেখা পায়নি তারা।
বার্সেলোনার মাঝমাঠে গাভির উপস্থিতি এদিন পার্থক্য গড়ে দেয়। তার এনার্জি আর বল দখল ফেরানোর ক্ষমতা দলকে বারবার এগিয়ে দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় গাভির বল কাড়ার পর ইয়ামালের নিখুঁত পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফেরান তোরেস। বিরতির আগে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত বার্সা, তবে একাধিক সেভে দলকে ম্যাচে রাখেন এস্পানিওলের গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নাটকীয়তা যোগ হয় ম্যাচে। অল্প ব্যবধানে অফসাইডের কারণে ফেরানের সম্ভাব্য হ্যাটট্রিক বাতিল হয়। এরপরই দূরপাল্লার শটে ব্যবধান কমান পল লোজানো।
এই গোলের পর কিছুটা ছন্দ হারায় বার্সেলোনা। কয়েক মিনিটের জন্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও চলে যায় এস্পানিওলের দখলে। তবে সেই চাপ বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি তারা। দ্রুত আক্রমণে উঠে প্রায় একক প্রচেষ্টায় গোল করে ব্যবধান আবার বাড়ান ইয়ামাল।
শেষদিকে পাল্টা আক্রমণে নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের কফিনের শেষ পেরেকটি ঠোকেন মার্কাস রাশফোর্ড।
এই জয়ে শিরোপা দৌড়ে আরও এগিয়ে গেল বার্সেলোনা। বাকি ম্যাচগুলোয় ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে শিরোপা ধরে রাখার পথ অনেকটাই সহজ হবে তাদের জন্য।
মন্তব্য করুন
