

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার ছোট্ট শহর রোসারিওতে জন্ম নেওয়া লিওনেল মেসির মাতৃভাষা স্প্যানিশ। ফুটবল ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সময়টাই তিনি কাটিয়েছেন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায়। ফলে স্প্যানিশ ভাষার বাইরে অন্য কোনো ভাষা শেখার প্রয়োজন মনে করেন নি তিনি।
তবে বার্সেলোনা ছেড়ে ফ্রেঞ্চ ক্লাব পিএসজি এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর নিজের ভাষাগত সীমাবদ্ধতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে টের পান তিনি।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে অকপটে বিষয়টি স্বীকার করেছেন ‘এলএম১০’। তিনি জানিয়েছেন, ইংরেজি না শেখাটা তাঁর জীবনের বড় আফসোস। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েও ভাষার কারণে নিজেকে ‘অর্ধেক অজ্ঞ’ মনে হয়েছে।
এই ৩৮ বছর বয়সী বলেন, ‘লজ্জার কারণে আমি ইংরেজিতে কথা বলি না, তবে সব বুঝতে পারি।’ মাঠেই পারফরম্যান্স দিয়ে কথা বলাটাই তিনি পছন্দ করেন। তার নেতৃত্বে মিয়ামি গত মৌসুমে জিতেছে এমএলএস কাপ। এছাড়া বিগত বছরগুলোতে সাপোর্টার্স’ শিল্ড ও লিগস কাপ। পাশাপাশি এমএলএস গোল্ডেন বুট জিতে ও বিভিন্ন রেকর্ড ভেঙে তিনি আবারও নিজের অনন্য প্রতিভার ছাপ রেখেছেন।
১৩ বছর বয়সে রোসারিও ছেড়ে বার্সেলোনায় পাড়ি জমান মেসি। সেখানকার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি পড়াশোনাও শেষ করেন। আর্জেন্টিনায় তাঁর শেষ স্কুলজীবন ছিল অস্থিরতায় ভরা, কারণ তখনই স্পেনে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।
মেসি জানান, ফুটবল তাকে শুধু সাফল্যই দেয়নি, দিয়েছে জীবনের অসংখ্য শিক্ষা। তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন এবং ২০২২ বিশ্বকাপে দলকে শিরোপা জিতিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ফুটবলে আমি সবকিছু অর্জন করেছি, শীর্ষে পৌঁছেছি। কিন্তু এই পথচলায় অসংখ্য অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা আছে। ফুটবল এক ধরনের জীবনধারা। এটা অনেক মূল্যবোধ শেখায়, আজীবনের সম্পর্ক তৈরি করে, নতুন জায়গা চেনায়।’
মন্তব্য করুন

