

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লিভারপুলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স যেন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। বুধবার অ্যানফিল্ডে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে পিএসভি আইন্দহোভেনের কাছে ৪–১ গোলের বড় পরাজয় দলটির দুরবস্থা আরও প্রকাশ করে দিল। প্রায় সাত দশক—অর্থাৎ ৭১ বছরে এত বিব্রতকর সময় আর দেখেনি ইংলিশ ক্লাবটি।
শেষ ১২ ম্যাচে লিভারপুলের এটি নবম হার। ১৯৫৩-৫৪ মৌসুমের পর এমন ধারাবাহিক ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়নি তারা। গত সপ্তাহে নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে ৩–০ গোলের হার দিয়ে যে ধস শুরু হয়েছিল, পিএসভির বিপক্ষে তা আরও গভীর হয়েছে। টানা তিন ম্যাচে হেরে দলটি হজম করেছে ১০ গোল।
এখনকার চিত্র আরও হতাশাজনক—প্রিমিয়ার লিগে শেষ সাত ম্যাচের ছয়টিতে লিভারপুল পরাজিত হয়েছে। গত মৌসুমে শিরোপা জেতা দলটি নতুন মৌসুম শুরুর আগে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করে নতুন আশার সঞ্চার করেছিল। কিন্তু লিগ টেবিলে এখন তাদের অবস্থান ১২ নম্বরে—গত এক দশকে এত নিচে আর দেখা যায়নি। চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে ওঠাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে; পাঁচ ম্যাচে এটি তাদের দ্বিতীয় হার। ঘরের মাঠে গ্রুপপর্বে এই ধরনের পরাজয় এসেছে পাঁচ বছর পর।
ব্রিটিশ রেকর্ড সাইনিং আলেকজান্ডার আইজাককে বেঞ্চে রেখে শুরু করলেও কোচ আর্নে স্লট কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি। পিএসভি ২০০৮ সালের পর প্রথমবার অ্যানফিল্ড থেকে জয় নিয়ে গেল।
ম্যাচজুড়ে লিভারপুলের খেলায় আগ্রাসন বা ছন্দ—কোনোটাই চোখে পড়েনি। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বারবার বিপর্যস্ত হচ্ছিল দলটি। ম্যাচের আগে অতিরিক্ত দায়িত্ব নেওয়ার কথা বললেও অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক নিজেই ভুল করে প্রতিপক্ষকে পেনাল্টির সুযোগ দেন।
সেখান থেকে পেরিসিচ গোল করে পিএসভিকে এগিয়ে নেন। কিছুক্ষণ পরেই কোডি গাকপোর শট ঠেকিয়ে রিবাউন্ড থেকে ডমিনিক শোবোস্লাই লিভারপুলকে সমতায় ফেরান। কর্নার থেকে ফন ডাইকের হেড গোলপোস্টে লেগে ফিরে না এলে লিভারপুল এগিয়েও যেতে পারত।
বিরতির পর লিভারপুল চাপ তৈরি করলেও গোলের দেখা মিলেনি। বিপরীতে ৫৬ মিনিটে গুস টিল অসাধারণ এক পাস থেকে গোল করে পিএসভিকে আবার এগিয়ে দেন। shortly after গাকপো সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।
৭৩ মিনিটে ইব্রাহিমা কোনাতের ভুলে আরও বিপদ ডেকে আসে। তার ভুল পাস থেকে রিকার্ডো পেপির শট পোস্টে লাগে, ফিরতি বলে কোহাইব দ্রিউয়েশ সহজেই গোল করেন।
ইনজুরি সময়ে সার্জিনো ডেস্ট দ্রুতগতিতে বল এগিয়ে নিয়ে ক্রস দেন, আবারও গোল করেন দ্রিউয়েশ। ফলে ৪–১ ব্যবধানেই মাঠ ছাড়তে হয় লিভারপুলকে।
মন্তব্য করুন
