

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকার সদর দরজা খ্যাত গাজীপুর-২ আসন। সারা দেশের ভোটের আয়না বলেও আখ্যায়িত এই সংসদীয় এলাকা। আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে শৃঙ্খল ও সুষ্ঠুভাবে।
তবে এ আসনে জামায়াতের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা না থাকায় আফসোস করতে দেখা গেছে ভোটারদের। ভোটাররা বলছেন, জামায়াতের প্রার্থী ভোটে থাকলে এই আসনের হিসাব পালটে যেত।
আজ গাজীপুর-২ আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট পর্যবেক্ষণ শেষে এ চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা, বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্ট স্কুল, বাংলাদেশ মেশিন টুলস স্কুল ও ডুয়েট স্কুল কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার লাইনে ভিড় বাড়ছে৷ সকাল সাড়ে সাতটায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ।
সমরাস্ত্র কারখানার প্রিজাইডিং অফিসার নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনপিবি নিউজকে বলেন, 'যথাসময়ে এখানে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে৷
সকাল নয়টা পর্যন্ত প্রায় ৭০০ ভোট গ্রহণ করেছি। এই কেন্দ্রে ভোট আছে ৩৭০০। সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান করছেন ভোটাররা।
বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্ট স্কুল কেন্দ্রে দেখা যায়, নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। এই কেন্দ্রে ৮৫০০ এর বেশি ভোট আছে বলে জানা গেছে৷
এই কেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছেন মহিবুল আলম রাজন নামের ভোটার৷ তিনি চাকরিসূত্রে থাকেন খুলনায়৷ শুধুমাত্র ভোট দিতে এসেছেন গাজীপুর। তার স্ত্রী নারায়নগঞ্জের বাসিন্দা।
স্ত্রীকে পাঠিয়েছেন সেখানে ভোট দিতে। এনপিবি নিউজকে তিনি বলেন, অনেক ঝামেলা করে গাজীপুর এসেছি। ভোট দিতে আসবো আগে থেকেই প্ল্যান ছিল।
তাই যখন ছুটি পেলাম তখন আর দেরি করিনি। আসার পথে বাস ছিল কম। তাই ৫০০ টাকার ভাড়া ১২০০ টাকা দিয়ে এসেছি। তবুও ভোট দিতে আসতে পেরেছি এতে ভালো লাগছে।
তিনি আরো বলেন, খুলনায় জামায়াতের প্রচুর কাজ দেখেছি। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি ভোট জামায়াতকে দিবো। কিন্তু এখানে এসে দেখি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নেই৷
পরে শুনেছি জোটের প্রার্থীকে আসন ছেড়ে দিয়েছে৷ দাঁড়িপাল্লা থাকলে ভালো লাগতো৷
ভোটকেন্দ্রে থাকা দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, ভোটগ্রহণে কোনো বাঁধা দেওয়া হচ্ছে না। কোনো পক্ষই নিয়ম ভাঙ্গছেন না। এতে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠিত হতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। সবাই আনন্দ এবং উৎসবের সঙ্গে ভোট প্রদান করছেন।
মন্তব্য করুন

