

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নির্বাচনে অনিয়ম এবং দুর্নীতির সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব হারানোর পর অনেকটা নিরবে ‘হোম অব ক্রিকেট’ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেছেন সংস্থাটির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
এর আগে মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার কথা জানান এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান।
একই সঙ্গে একইসঙ্গে ১১ সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। এনএসসির তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের হস্তক্ষেপে বিসিবি নির্বাচনে অনিয়ম করা হয়েছে। আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাউন্সিলর বানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল এহসান জানিয়েছেন, তামিম ইকবালের নেতৃত্বে এডহক কমিটির মেয়াদ তিন মাস। আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার কথা আইসিসিকে ইমেইলে জানানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এনএসসির পরিচালক।
নতুন কমিটিতে অন্যান্য সদস্যরা হলেন: রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আতাহার আলী খান, তানজীম চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানী, রফিকুল ইসলাম বাবু ও ফাহিম সিনহা।
এদিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর সন্ধ্যায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নতুন অ্যাডহক কমিটি তামিমের নেতৃত্বে বিসিবির অফিসে উপস্থিত হন।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবির নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল। এর প্রেক্ষিতে দেশের শীর্ষ কয়েকটি ক্লাব নির্বাচনের আগেই নিজেদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ নির্বাচনের অনিয়ম ও কারসাজি তদন্তে পদক্ষেপ নেয়।
এরপর গত রোববার অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে জমা দেয়। মাত্র দুই দিনের মধ্যে এনএসসি বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ডকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
মন্তব্য করুন
