

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পিরোজপুর-১ আসনে যাচাই-বাছাইয়ে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দুই দলের দুই প্রার্থী।
দেশব্যাপী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা পড়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার সারাদেশের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের উপস্থিতিতে যাচাই-বাছাইয়ের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
এ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ কয়েকজন নেতা ও একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়। কোথাও কোথাও মনোনয়ন বাতিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাও দেখা গেছে। তবে এসব ঘটনার মধ্যেই পিরোজপুর-১ আসনে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পিরোজপুর-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদীর মনোনয়ন বৈধ রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। মাসুদ সাঈদী সাবেক সংসদ সদস্য জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের একপর্যায়ে মাসুদ সাঈদীর প্রার্থিতা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন নিজের পক্ষ থেকে ‘নো অবজেকশন’ জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, তিনি এবং মাসুদ সাঈদী দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নির্বাচন করতে চান।
ভিডিও বক্তব্যে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যদি কোনো আপত্তি না থাকে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে আর অগ্রসর না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের প্রতি তিনি অনুরোধ জানাচ্ছেন।
এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়। রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ রাখার আহ্বানকে অনেকেই রাজনৈতিক সৌজন্য ও গণতান্ত্রিক চর্চার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
মন্তব্য করুন

