

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অফুরান রহমতের বারিধারায় সিক্ত হওয়ার অনন্য সুযোগ নিয়ে চলে এল মাহে রমজান। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনায় একজন মুমিন তাকওয়ার গুণে গুণান্বিত হতে পারে। তবে এর জন্য আমাদের অবশ্যই রমজানের সব শর্ত, আদব ও বিধানসমূহের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।
রোজার আরবি নিয়ত ও অর্থ
আমাদের সমাজে রোজা রাখার জন্য একটি আরবি নিয়ত প্রচলিত আছে। নিয়তটি হলো: ‘নাওয়াইতু আন আসুমা গাদাম, মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমি আগামীকাল পবিত্র রমজান মাসের রোজা রাখার নিয়ত করলাম—যা আপনারই নির্ধারিত ফরজ বিধান। তুমি আমার রোজা কবুল করো। নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।’
আরবিতে রোজার নিয়ত করার বিধান
অনেকেই রোজা কবুলের জন্য এই আরবি নিয়ত মুখে উচ্চারণ করাকে আবশ্যক মনে করে থাকেন। বিষয়টি সঠিক নয়। (জাওয়াহিরুল ফিক্হ ১ / ৩৭৮)। নিয়ত অন্তরের কাজ, জিহ্বার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। আল্লাহর বিধান রোজা পালনের জন্য মনের মধ্যে যে ইচ্ছা থাকে, সেটাই নিয়ত। রোজার নিয়তের জন্য মুখ দিয়ে নির্ধারিত শব্দ বা বাক্য উচ্চারণ করা জরুরি নয়।
তবে কেউ যদি ওপরে বর্ণিত আরবি নিয়ত করে—তাহলেও অসুবিধা নেই। রোজা শুদ্ধ হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো নিয়ত। নিয়ত আরবি বা বাংলায় করা যেতে পারে। আবার মুখে উচ্চারণ করে বা মনে মনেও করা যেতে পারে। কেউ মুখে উচ্চারণ না করলেও অন্তরে রোজার নিয়ত থাকলে তার রোজা আদায় হয়ে যাবে। এ ছাড়া রমজান মাসে রোজা রাখার উদ্দেশ্যে শেষ রাতে উঠে সেহরি খাওয়াকেই ইসলামবিষয়ক গবেষকগণ নিয়ত বলে গণ্য করেছেন।
মন্তব্য করুন

