

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রমজানে অনেকেই ইফতার ও সাহরিতে চা বা কফি পান করতে অভ্যস্ত। তবে ভুল সময় ও অতিরিক্ত পরিমাণে চা-কফি পান করলে শরীরে পানিশূন্যতা, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালা ও অনিদ্রার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই রমজানে চা-কফি পানের ক্ষেত্রে সময় ও পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি।
ইফতারের সঙ্গে সঙ্গে চা বা কফি পান করা ঠিক নয়। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর পাকস্থলী খুব সংবেদনশীল থাকে। এ সময় চা-কফি খেলে গ্যাস্ট্রিক ও অস্বস্তি বাড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ রোজা রেখে দিনে কতটুকু ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো?
সবচেয়ে ভালো সময় হলো ইফতারের ১–২ ঘণ্টা পরে, যখন হালকা খাবার হজম হয়ে যায়। এতে শরীর ক্যাফেইনের প্রভাব সহজে গ্রহণ করতে পারে।
সাহরিতে চা-কফি খাওয়াও খুব একটা ভালো নয়। কারণ ক্যাফেইন প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রোজার সময় শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে।
যদি একেবারেই ছাড়তে না পারেন, তবে সাহরির খাবার শেষে অল্প পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।
রমজানে দিনে ১ কাপ চা বা কফি যথেষ্ট। সর্বোচ্চ ২ কাপের বেশি না খাওয়াই উত্তম।
বেশি চা-কফি পান করলে
আরও পড়ুনঃ মুখের ঘা বা আলসার হলে রোজা রাখার উপায়।
শরীরে পানি কমে যায়
মাথাব্যথা ও দুর্বলতা বাড়ে
ঘুমের সমস্যা হয়
হার্টবিট ও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে
বিশেষ করে যারা গ্যাস্ট্রিক, হার্টের সমস্যা বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, তাদের জন্য চা-কফি সীমিত রাখা আরও জরুরি।
চা-কফি খাওয়ার সময় খুব বেশি চিনি ব্যবহার না করাই ভালো। দুধ কম ব্যবহার করলে হজমে সুবিধা হয়।
পাশাপাশি চা-কফির বদলে লেবু পানি, শরবত, ফলের রস বা সাধারণ পানি বেশি পান করা উচিত, যাতে শরীর হাইড্রেট থাকে।
আরও পড়ুনঃ ইফতারে চিয়া সিড খাওয়ার ৫টি জাদুকরী উপকারিতা।
রমজানে চা-কফি পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়, তবে সঠিক সময় ও পরিমাণ মেনে চলা জরুরি। ইফতারের ১–২ ঘণ্টা পরে অল্প পরিমাণে চা বা কফি পান করা সবচেয়ে নিরাপদ।
দিনে ১ কাপ যথেষ্ট, ২ কাপের বেশি নয়। এতে শরীর সুস্থ থাকবে এবং রোজার কষ্টও কম অনুভূত হবে।
মন্তব্য করুন

