

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সৌদি আরবে ২০২৬ সালের হজ যাত্রীদের আবাসন সেবা নিয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন হজ মন্ত্রণালয়।
সৌদি আরবে এবারের হজ মৌসুমকে সামনে রেখে মক্কা ও মদিনার আবাসন সেবা খাতে নতুন বিধিনিষেধ জারি করেছে সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয়।
হজ করতে আসা হাজিদের সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মন্ত্রণালয় জানায়, প্রতি বছর জিলকদ মাসের শুরু থেকে মহররমের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়কে হজ মৌসুম হিসেবে ধরা হয়।
এ সময় দুই পবিত্র নগরীতে আবাসন ও সেবার চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায় সেজন্যেই উদ্যোগ নিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়।
মক্কা ও মদিনায় হজ যাত্রীরা নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একই ধরনের অপরাধ বারবার ঘটলে শাস্তি আরও কঠোর হবে। হজ মৌসুমে আগের কোনো অপরাধ পুনরাবৃত্তি হলে ন্যূনতম জরিমানা বা দ্বিগুণ জরিমানা আরোপ করা হবে।
এছাড়া হজ মৌসুম শেষে হলেও যদি আগের লঙ্ঘনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অপরাধ ঘটে, সেক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তি বহাল থাকবে এবং পুনরাবৃত্তির সংখ্যা অনুযায়ী জরিমানার পরিমাণ ধাপে ধাপে আরো বেশি করা হবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, নির্দিষ্ট আর্থিক জরিমানা ছাড়াও বারবার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে হজ মৌসুমে সাময়িকভাবে প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বা লাইসেন্স স্থগিত করা হতে পারে।
তৃতীয়বার একই অপরাধ প্রমাণিত হলে লাইসেন্স বাতিলের মতো কঠোর ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান মন্ত্রণালয়।
আবাসন সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে বিলাসবহুল পাঁচতারকা হোটেল থেকে শুরু করে অশ্রেণিভুক্ত ও অস্থায়ী হজ আবাসন পর্যন্ত।
যেকোনো প্রতিষ্ঠানের আকার অনুযায়ী জরিমানার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে জরিমানা ২৫ শতাংশ, ছোট প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫০ শতাংশ, মাঝারি প্রতিষ্ঠানের জন্য ৭৫ শতাংশ এবং বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য ১০০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।।
পবিত্র মক্কা ও মদিনায় এসব লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক জরিমানার পরিমাণ ২ হাজার থেকে ১৪ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সাময়িক বা স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
অস্থায়ী হজ আবাসনের ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ ১ হাজার থেকে ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত হতে পারে। একই সঙ্গে নিয়ম না মানা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা বা লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থাও কার্যকর করা হবে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে হজ মৌসুমে আগত হাজিদের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও সুশৃঙ্খল সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আইনগতভাবে এইসব পদক্ষেপ নেওয়া হলে হাজীদের সেবা নিশ্চিত ও নিরাপদ এবং মানসম্মত হবে।
মন্তব্য করুন