

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের কোনো অবদান নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনার পরিবারের অবদান নেই। না তার পিতার, না তার নিজের। তারা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছে।’
বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক, এ দেশের বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার সন্তানসহ বন্দি ছিলেন সেই সময়। তিনিও একজন মহান মুক্তিযোদ্ধা।’
বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও জনপ্রিয়তা শেখ হাসিনা কখনোই মেনে নিতে পারেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, ‘তাই একের পর এক যন্ত্রণা দিয়েছেন। তার জ্যেষ্ঠপুত্র, আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শারীরিকভাবে অত্যাচার করেছেন। আজ কী হয়েছে? জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে।’
বর্তমানে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল একাত্তরকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, ‘আজকে প্রকারান্তরে একাত্তরকে ছোট করার জন্য, একাত্তরকে ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার জন্য বর্তমানে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’
রিজভীর দাবি, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত হলেও তাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে।
একটি চিত্র প্রদর্শনীর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘সাতচল্লিশ থেকে শুরু করে জুলাই পর্যন্ত একটি চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন। সেখানে শেখ মুজিবের সাতই মার্চের ভাষণ আছে, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাঁদেরই ছাত্রসংগঠনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখানো হচ্ছে যে, একাত্তর হালকা। দাঁড়িপাল্লায় একাত্তরের পাল্লাটা উপরের দিকে চলে যায় আর জুলাইকে নিচের দিকে নিয়ে আসা হয়। এগুলো হচ্ছে ছোটলোকি।’
রিজভী বলেন, ‘কাকে খুশি করতে চাচ্ছেন? নিশ্চয়ই পলাতক ফ্যাসিস্টকে খুশি করার জন্যই কি আপনারা এসব কাজ করছেন? এই প্রশ্ন তো আজ জনগণের। এ প্রশ্ন আজ মানুষের মুখে মুখে।’

